b11-এর এক্সক্লুসিভ রিওয়ার্ড প্রোগ্রামে যোগ দিয়ে প্রতিটি বেট থেকে পয়েন্ট অর্জন করুন। ক্যাশব্যাক, বোনাস, ফ্রি স্পিন আর বিশেষ উপহার — সব মিলিয়ে b11 হলো বাংলাদেশের সবচেয়ে লাভজনক বেটিং প্ল্যাটফর্ম।
বেশিরভাগ বেটিং সাইটে পুরস্কার মানে শুধু একটা সাইন-আপ বোনাস — একবার পেলেন, তারপর আর খবর নেই। b11 সেটা করে না। b11-এর পুরস্কার প্রোগ্রামটা একটা পুরো সিস্টেম — যেখানে আপনি যত বেশি খেলবেন, ততই নতুন সুবিধা আনলক হতে থাকবে। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে কিছু না কিছু পাওয়ার ব্যবস্থা আছে।
প্রতিটি বেটের বিপরীতে লয়্যালটি পয়েন্ট জমা হয়, যেগুলো দিয়ে ক্যাশ বোনাস, ফ্রি স্পিন বা বিশেষ উপহার নেওয়া যায়। এর পাশাপাশি সাপ্তাহিক ক্যাশব্যাক আছে, রেফারেল বোনাস আছে, এমনকি জন্মদিনেও b11 আপনাকে মনে রাখে। চার স্তরের লয়্যালটি টায়ার — ব্রোঞ্জ থেকে প্ল্যাটিনাম — প্রতিটিতে সুবিধার মাত্রা বাড়তে থাকে।
নতুন যে অ্যাকাউন্ট খুলবেন, তিনিও প্রথম দিন থেকেই পয়েন্ট পাবেন। পুরস্কার প্রোগ্রামে আলাদা করে আবেদন করতে হয় না — অ্যাকাউন্ট থাকলেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে অন্তর্ভুক্ত হওয়া যায়।
একটা নয়, ১২টিরও বেশি ধরনের পুরস্কার — প্রতিটি খেলোয়াড়ের জন্য কিছু না কিছু আছেই
প্রথমবার ডিপোজিট করলেই ১০০% বোনাস পাবেন। অর্থাৎ ৳৫০০ ডিপোজিট করলে পাবেন ৳১,০০০। এই বোনাস দিয়ে যেকোনো গেম খেলা যায় এবং জেতা অর্থ নির্দিষ্ট শর্ত পূরণের পর উইথড্র করা যায়।
এখনই পানগত সপ্তাহে যত লস হয়েছে তার একটা অংশ ফেরত পাবেন প্রতি সোমবার। টায়ার যত উপরে, ক্যাশব্যাকের হার তত বেশি। ব্রোঞ্জে ৫%, গোল্ডে ১০% এবং প্ল্যাটিনামে ১৫% ক্যাশব্যাক।
ক্যাশব্যাক নিনপ্রতিটি বেটের বিপরীতে পয়েন্ট জমে। ১০০ পয়েন্ট = ৳৫০ ক্যাশ বোনাস। পয়েন্ট দিয়ে ফ্রি স্পিন, বোনাস ক্রেডিট বা বিশেষ পণ্যও নেওয়া যায়। পয়েন্টের কোনো মেয়াদ শেষ হয় না।
পয়েন্ট জমানবন্ধুকে b11-এ আমন্ত্রণ জানান। বন্ধু নিবন্ধন করে প্রথম ডিপোজিট করলেই আপনি পাবেন ৳৫০০ বোনাস। যত বন্ধু আনবেন, তত পাবেন — কোনো সীমা নেই। বন্ধুও পাবেন ওয়েলকাম বোনাস।
আমন্ত্রণ পাঠানজন্মদিনে b11 আপনাকে ভুলে না। অ্যাকাউন্টে জন্মতারিখ সেভ থাকলে সেই দিন স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিশেষ বোনাস ক্রেডিট হয়ে যায়। টায়ার অনুযায়ী ৳১,০০০ থেকে ৳৫,০০০ পর্যন্ত পাওয়া যায়।
প্রোফাইল আপডেট করুননিয়মিত সক্রিয় খেলোয়াড়দের প্রতি সপ্তাহে ফ্রি স্পিন দেওয়া হয়। ফ্রি স্পিন থেকে জেতা অর্থও রিয়েল ব্যালেন্সে যোগ হয়। টায়ার যত উপরে, ফ্রি স্পিনের সংখ্যা তত বেশি।
ফ্রি স্পিন পান
b11-এর লয়্যালটি প্রোগ্রাম চারটি স্তরে ভাগ করা: ব্রোঞ্জ, সিলভার, গোল্ড ও প্ল্যাটিনাম। প্রতিটি স্তরে সুবিধার পরিমাণ বাড়তে থাকে। নতুন সদস্য মাত্র হিসেবে শুরু হয় ব্রোঞ্জ থেকে, কিন্তু নিয়মিত খেললে দ্রুতই উপরের স্তরে উঠে যাওয়া সম্ভব।
গোল্ড টায়ারে পৌঁছালে ডেডিকেটেড অ্যাকাউন্ট ম্যানেজার পাওয়া যায়, যিনি ব্যক্তিগতভাবে সাহায্য করেন। প্ল্যাটিনাম সদস্যদের জন্য আছে এক্সক্লুসিভ ইভেন্ট ইনভিটেশন, দ্রুত উইথড্রয়াল প্রসেসিং এবং মাসিক বিশেষ পুরস্কার প্যাকেজ।
একটা ভালো দিক হলো, b11-এ টায়ার ডাউনগ্রেড হয় না তাড়াতাড়ি। একবার গোল্ডে পৌঁছালে পুরো ৩ মাস সেই সুবিধা বজায় থাকে, এমনকি কম সক্রিয় মাসেও। তাই এখানে খেলার একটা ধারাবাহিকতা বজায় রাখা অনেক সহজ।
b11-এর পয়েন্ট সিস্টেমটা একদম সহজ। আপনি যখন যেকোনো গেমে বেট রাখেন, প্রতি ৳১০০ বেটের বিপরীতে ১ লয়্যালটি পয়েন্ট যোগ হয় আপনার অ্যাকাউন্টে। স্পোর্টস বেটিং, স্লট, লাইভ ক্যাসিনো — সব জায়গাতেই পয়েন্ট মেলে। শুধু ফ্রি বেটগুলোতে পয়েন্ট প্রযোজ্য নয়।
পয়েন্ট জমলে যেকোনো সময় রিডিম করা যায়। ১০০ পয়েন্ট = ৳৫০ ক্যাশ বোনাস। ২০০ পয়েন্ট দিলে ২০টি ফ্রি স্পিন পাবেন। ৫০০ পয়েন্ট জমালে বিশেষ পণ্য বা গিফট কার্ডের জন্য রিডিম করার সুযোগও আসে নির্দিষ্ট সময়ে।
b11-এর একটা বিশেষ সুবিধা হলো — পয়েন্টের কোনো মেয়াদ নেই। একবার জমলে যতদিন খুশি রেখে দিতে পারেন, বড় পুরস্কারের জন্য জমাতে পারেন। কোনো চাপ নেই যে এই মাসের মধ্যে খরচ না করলে হারিয়ে যাবে।
১০০ পয়েন্ট = ৳৫০ ক্যাশ বোনাস। সরাসরি অ্যাকাউন্ট ব্যালেন্সে যোগ হয়।
লাইভ ক্যাসিনো ও স্পোর্টস বেটিংয়ে ডবল পয়েন্ট ইভেন্ট নিয়মিত আসে।
পয়েন্ট কখনো মেয়াদ শেষ হয় না। নিজের সময়মতো রিডিম করুন।
b11 অ্যাপে সব সময় পয়েন্ট ব্যালেন্স দেখা যায়। নোটিফিকেশনও পাওয়া যায়।
b11-এর পুরস্কার প্রোগ্রামে যোগ দেওয়া একদম ঝামেলামুক্ত। নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করলেই প্রথম দিন থেকে পুরস্কার পেতে শুরু করবেন।
b11 নিয়মিত বিশেষ প্রচারমূলক অফার দেয় যেখানে সাধারণের তুলনায় বেশি পুরস্কার পাওয়া যায়।
প্রতিদিন নির্দিষ্ট গেমে নির্দিষ্ট পরিমাণ বেট করলে অতিরিক্ত ৳৫০০–৳২,০০০ বোনাস পাওয়া যায়। চ্যালেঞ্জগুলো প্রতিদিন রাত ১২টায় রিসেট হয়।
সাপ্তাহিক স্লট ও স্পোর্টস বেটিং টুর্নামেন্টে লিডারবোর্ডে শীর্ষে থাকলে মোট ৳১ লাখ পুরস্কার ভাগ করা হয়। শীর্ষ ১০ জনই পুরস্কার পান।
রমজান মাসে b11 বিশেষ ডবল পয়েন্ট উইক এবং এক্সট্রা ক্যাশব্যাক অফার নিয়ে আসে। সদস্যরা নিউজলেটারে প্রথম জানতে পারেন।
সৎভাবে বলতে গেলে — বাংলাদেশে অনেক বেটিং সাইট আছে যেখানে বোনাসের কথা বড় বড় করে লেখা থাকে, কিন্তু শর্তের জঙ্গলে সেই বোনাস আসলে কখনো ব্যবহার করা যায় না। b11 সেই ফাঁদে পড়ে না। এখানে শর্তগুলো সহজ, স্বচ্ছ এবং বাংলায় পরিষ্কারভাবে লেখা।
b11-এর ক্যাশব্যাক প্রতি সোমবার স্বয়ংক্রিয়ভাবে অ্যাকাউন্টে আসে — আলাদা করে দাবি করতে হয় না, কাস্টমার সাপোর্টে যোগাযোগ করতে হয় না। লয়্যালটি পয়েন্টও রিয়েল টাইমে আপডেট হয়, কোনো দেরি নেই। এই স্বচ্ছতাই b11 কে আলাদা করে।
b11 জানে যে বাংলাদেশের বেশিরভাগ খেলোয়াড় মোবাইলে খেলেন। তাই পুরো রিওয়ার্ড ড্যাশবোর্ড মোবাইল-ফার্স্ট ডিজাইনে তৈরি। b11 অ্যাপে ঢুকলেই পয়েন্ট ব্যালেন্স, পরবর্তী পুরস্কার কত দূরে, এবং চলমান অফার সব এক জায়গায় দেখা যায়।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, b11-এ পুরস্কারের অর্থ দ্রুত পাওয়া যায়। বোনাস রিডিম করার পর সাধারণত ১৫ মিনিটের মধ্যেই সেটা ব্যালেন্সে দেখা যায়। উইথড্র করতে গেলেও বিকাশ, নগদ বা রকেটে সর্বোচ্চ ২ ঘণ্টার মধ্যে টাকা পৌঁছে যায়।
সবচেয়ে বেশি জিজ্ঞেস করা প্রশ্নের উত্তর এক জায়গায়